ইয়াবা বিষধর সাপের থেকেও ভয়ানক

ইয়াবা সম্পর্কে নতুন
করে বলার কিছুই নেই। এ
সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি।
তবে এর পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়া কি বা এটি শরীরের ওপর
কি কি ক্ষতিকর প্রভাব
ফেলে সে বিষয়ে অনেকেই
আমরা তেমন কিছুই জানি না।
নেশার এই উপকরণের মূল উপাদান
মিথাইল অ্যামফিটামিন
এবং ক্যাফেইন। ইয়াবাতে ২৫
থেকে ৩৫ মিলিগ্রাম
মিথঅ্যামফিটামিন এবং ৪৫ থেকে ৬৫
মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। থাই শব্দ
ইয়াবার মূল অর্থ ক্রেজি মেডিসিন
বা পাগলা ওষুধ।
এছাড়া ইয়াবাকে বিভিন্ন
নামে ডাকা হয়। এর
মধ্যে ক্রেজি মেডিসিন, হিটলারস্
ড্রাগ, সাবু,
বুলবুলিয়া নামগুলো উল্লেখযোগ্য।
ইয়াবার আসল নামের
বাইরে এটি বিক্রির জন্যও
রয়েছে নানা সাংকেতিক নাম।
এরমধ্যে বাবা, সিমকার্ড ও
প্যারাসিটামল প্রধান। এ
ছাড়া বিভিন্ন প্রকার
ইয়াবাকে চম্পা, চম্পা সুপার, আর ৭০, আর
৮০, আর ৯০, জিপি, ঝাকানাকা,
ডাব্লিউ ওয়াই, এনসিআরএস, ডাব্লিউ
এক্স প্রভৃতি নামেও অভিহিত
করে ব্যবহারকারীরা।
মূলত জীবনরক্ষাকারী ঔষধ হিসেবেই
প্রথম ১৯১৯
সালে জাপানিরা ইয়াবা তৈরির
পরিকল্পনা করে। এছাড়া কথিত আছে,
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়
জার্মান একনায়ক এডলফ হিটলার তার
মেডিকেল চিফকে আদেশ দেন এমন ওষুধ
তৈরির, যেন এটি খেয়ে দীর্ঘ সময়
ধরে যুদ্ধ করলেও
যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাদের
ক্লান্তি না আসে। হিটলারের
নির্দেশে জার্মান
কেমিস্টরা এটি তৈরি করতে সমর্থ
হয়েছিলেন। তখন এর নাম ছিল
‘পারভিটিন’। একসময়
ট্যাবলেটটি থাইল্যান্ডে প্রকাশ্যে বিক্রি হত।
থাই ট্রাক
চালকেরা রাতে গাড়ি চালানোর
ক্লান্তি ভুলে থাকার জন্য এটা ব্যবহার
করতেন। পরবর্তীতে ইয়াবাসেবী ট্রাক
ও বাস চালকরা বেশ কয়েকটি ভয়াবহ
দুর্ঘটনা ঘটালে থাই সরকার ১৯৭০
সালে এর বিক্রয় ও ব্যবহার নিষিদ্ধ
করে।
বাংলাদেশে ইয়াবার আবির্ভাব
ঘটে ১৯৯৭ সালে। পরবর্তীতে ২০০০ সাল
থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারের
টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার
থেকে ইয়াবা আসতে শুরু করে। এই
ট্যাবলেটের দাম
তুলনামূলকভাবে বেশি হবার
কারণে প্রথমদিকে প্রধানত
উচ্চবিত্তদের মাঝেই এটি বিস্তার
লাভ করেছিলো। কিন্তু
পরবর্তীতে নতুন নেশার আনন্দ
নিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের
উঠতি বয়সী তরুণ তরুণী, গায়ক গায়িকা,
নায়ক নায়িকারা এ ড্রাগ গ্রহণ
করতে শুরু করে।
উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায়
তিন ধরনের ইয়াবা পাওয়া যায়। এক
শ্রেণির ইয়াবা ট্যাবলেট সবুজ
বা গোলাপী রঙের হয়ে থাকে। এর
ঘ্রাণ অনেকটা বিস্কুটের মত। দ্বিতীয়
ধরনের ইয়াবা ট্যাবলেটের দাম
তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু এটিও
নেশাসৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। তৃতীয়
ধরনের ট্যাবলেটি আরও
সস্তা এবং নেশায় আসক্তদের নিকট
এটি ভেজাল হিসেবে পরিচিত।
ইয়াবা সেবনকারীদের মধ্যে প্রচলিত
ধারণা অনুসারে, চিতা নামের
পিলটি সবচেয়ে নিম্নমানের। এর
গায়ে ক্ষুদ্র চিহ্ন থাকে।
অন্যদিকে গোলাপজল নামের
ইয়াবা পিলকে উচ্চমানের পিল
হিসেবে গণ্য করা হয়। ইয়াবা পিলের
গায়ে ইংরেজি ডাব্লিউ ওয়াই
লেখা থাকে। ওয়াই লেখার ধরন দীর্ঘ
হলে এবং ইয়াবার রঙ
পুরোপুরি গোলাপী হলে ধারণা করা হয়
এটি ইয়াবা হিসেবে ভাল মানের।
অন্যদিকে খবরে প্রকাশ, বরিশালসহ
গোটা দক্ষিণাঞ্চলের নেশার
রাজ্যে এখন ইয়াবা ট্যাবলেটের
নামে বিক্রি হচ্ছে জন্মবিরতিকরণ
পিল। বাজার থেকে কম মূল্যের
উচ্চমাত্রার জন্মবিরতিকরণ পিল লাল
রং করে ইয়াবা হিসেবে বিক্রি করছে একটি চক্র।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক
ইয়াবা গ্রহণকারীরা এ তথ্য
জানিয়েছেন। আর এ নকল
ইয়াবা খেয়ে বন্ধ্যাত্বসহ মৃত্যুর
ঝুঁকিতে পড়ছে ইয়াবা গ্রহণকারী তরুণ-
তরুণীরা।
ইয়াবা খেলে সাময়িক আনন্দ ও
উত্তেজনা হলেও, অনিদ্রা,
খিটখিটে ভাব ও আগ্রাসী প্রবণতা,
ক্ষুধা কমে যাওয়া ও বমি ভাব, ঘাম,
কান-মুখ লাল
হয়ে যাওয়া এবং শারীরিক সঙ্গের
ইচ্ছা বেড়ে যাওয়া প্রভৃতি লক্ষণ
দেখা যায়। বাড়ে হূৎস্পন্দনের গতি,
রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের
তাপমাত্রা। মস্তিষ্কের ‍সুক্ষ্ম
রক্তনালীগুলোর
ক্ষতি হতে থাকে এবং কারও কারও
এগুলো ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যায়।
কিছুদিন পর থেকে ইয়াবাসেবীর হাত
ও পায়ের কাঁপুনি সহ হ্যালুসিনেশন হয়,
পাগলামি ভাব দেখা দেয়।
দীর্ঘদিন
ধরে ইয়াবা খেলে স্মরণশক্তি কমে যায়,
সিদ্ধান্তহীনতা শুরু হয় এবং কারও
কারও ক্ষেত্রে সিজোফ্রেনিয়ার
লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকে পাগল
হয়ে যায়। ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত
নানা রকম অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়,
এমনকি অনেকে আত্মহত্যাও
করে থাকে। এছাড়া হার্টের
ভেতরে ইনফেকশন হয়ে বা মস্তিষ্কের
রক্তনালী ছিঁড়েও
অনেকে মারা যান। অনেকে রাস্তায়
দুর্ঘটনায় পতিত হন। কেউ কেউ
টানা সাত থেকে ১০ দিন
জেগে থাকেন। ইয়াবার পার্শ্ব-
প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিশিষ্ট
মনোচিকিৎসক ও সাহিত্যিক ডা.
মোহিত কামাল বলেন, নিয়মিত
ইয়াবা সেবনে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ,
নিদ্রাহীনতা, খিঁচুনি, মস্তিষ্ক
বিকৃতি, রক্তচাপ বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক
হৃদস্পন্দন, হার্ট অ্যাটাক, ঘুমের ব্যাঘাত,
শরীরে কিছু চলাফেরার অস্তিত্ব টের
পাওয়া, অস্বস্তিকর মানসিক অবস্থা,
কিডনি বিকল, চিরস্থায়ী যৌন-
অক্ষমতা, ফুসফুসের প্রদাহসহ
ফুসফুসে টিউমার ও ক্যান্সার
হতে পারে।
এ ছাড়া ইয়াবায় অভ্যস্ততার পর হঠাৎ এর
অভাবে সৃষ্টি হয় হতাশা ও আত্মহত্যার
প্রবণতা। তিনি বলেন, এ মাদক সাধারণ
শান্ত ব্যক্তিটিকেও হিংস্র ও
আক্রমণাত্মক করে তুলতে পারে।
ইয়াবা গ্রহণে হ্যালুসিনেশন ও
সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত
হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।
হ্যালুসিনেশন
হলে রোগী উল্টোপাল্টা দেখে,
গায়েবি আওয়াজ শোনে। আর
প্যারানয়াতে ভুগলে রোগী ভাবে অনেকেই
তার সঙ্গে শত্রুতা করছে।
তারা মারামারি ও সন্ত্রাস করতেও
পছন্দ করে।
ইয়াবা সেবনে যৌবন ও
জীবনীশক্তি হ্রাস পেতে থাকে।
ইয়াবা সেবনকারীদের দাম্পত্য জীবন
চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।
ইয়াবা সেবনকারীদের নার্ভ
বা স্নায়ুগুলো দুই থেকে তিন বছরের
মধ্যে অচল হয়ে যায়। যেহেতু
ইয়াবা সেবনকারীরা শারীরিকভাবে অক্ষম
হয়ে পড়ে, স্বাভাবিকভাবেই
তারা মানসিক রোগে আক্রান্ত
হতে পারে। অস্থিরতার
কারণে তারা যে কোন অঘটন
ঘটাতে পারে। তাই ইয়াবার
প্রতিরোধে সমাজের সচেতন
সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
অভিভাবকদের কাছে অনুরোধ,
দয়া করে আপনার সন্তানদের
প্রতি যত্নবান হন। টাকা চাওয়া মাত্রই
সন্তানকে টাকা না দিয়ে তাকে সময়
দিন।
বন্ধুর মতো সপ্তাহে একদিন হলেও সময়
দিন। মনে রাখবেন, আপনার সন্তান
যদি দীর্ঘদিন ইয়াবা আসক্ত হয়ে যায়
তবে প্রচুর টাকা খরচ করেও তার
স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা সম্ভব
নয়। তাকে হয়তো আংশিক সুস্থ
করা যাবে, কিন্তু এক্ষেত্রে আপনার
সন্তান থাকবে জীবন্ত একটি লাশের
মতো। আপনার তখন কিছুই করার
থাকবে না। তাই আমাদের সবার উচিত,
ইয়াবার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ
গড়ে তুলে আমাদের দেশের যুব
সমাজকে রক্ষা করা।

Advertisements

A love anthem

; ভালোবাসিস ?
;- হুম
; কতটা ?
;- এক বিন্দু__
; এত কম ?
;- এক আকাশ হলে চলবে ?
; না__
;- তাহলে কতটা চাস ?
; তোর বুকের পুরোটা জুড়ে আমার অস্তিত্ত চাই,
যে বুকে মাথা রাখলেই অনুভব করতে পারবো যে সেখানে সবটা জায়গা জুড়ে শুধুআমার বসবাস___
;- জাস্ট এতটুকুই ?
তুই কি জানিস না এই বুকের জায়গাটা ভালোবাসার স্ট্যাম্প পেপারে সেই কবে তোর নামে রেজিস্টার করে দিয়েছি ??
; তাহলে এতোদিন বলিসনি কেন ?
;- ভয়ে,
যদি তুই ভুল বুঝিস__
; তুই আসলেই একটা গাধা,
এতোদিন পাশে থেকেও আমায় বুঝলি না__
_____এরপর বৃষ্টিতে ভিজে হাটঁতে থাকা সেই নতুন ভালোবাসায় আবদ্ধ যুগল পরম অনুভূতিতে একে অপরের হাত স্পর্শ করে,
প্রিয়তমা কিছুটা লজ্জা পেয়ে লাল হয়ে যায়,
আর প্রিয়তম হাতটা কাছে এনে আলতো করে একটা চুমু একেঁ দেয় ।।
প্রিয়তমা লাজুক ভঙ্গিতে বলেঃ
তুই তো অনেক দুষ্টু আর নির্লজ্জ হয়ে গেছিস___
প্রিয়তম প্রেমিকের দুষ্টু জবাবঃ
প্রেমে পরলে ছেলেরা একটু বদ হয়ে যায়,
কেন জানো না বুঝি ??
Written by KabboKabbo

জেনে নিন একজন ভালো স্ত্রীর গুণাগুন সম্পর্কে

কম বেশিসব মেয়েদেরই স্বপ্ন থাকেবিয়েরপর নিজেকেএকজন ভালো স্ত্রী প্রমাণ করার। শ্বশুরবাড়িতে ওস্বামীর কাছে নিজেকেএকজন চমৎকার বউ এবংস্ত্রী হিসাবে প্রমাণ করার জন্য আমাদের সমাজে মেয়েদের চেষ্টার ত্রুটি থাকেনা। তবে একজায়গায়গোল বাঁধে,আর সেটা হলো অনেকেইবুঝে উঠতে পারেন না ঠিক কোন কাজগুলোকরাটাজরুরীকিংবাকোন কাজগুলোতাকে সহায়তা করবেএখন ভালো স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি পেতে। জানতে চান ব্যাপারগুলো? জেনে রাখুনএকজন ভালো স্ত্রীর ১০গুণ।
নিজেকেপ্রস্তুত করুন
যদি গৃহিণী হয়ে থাকেন,তাহলে সারাদিনপর আপনারস্বামী বাসায়আসার আগে নিজেকেপ্রস্তুত করুন।কিছুটাসময় নিয়ে সুন্দরভাবে রেডি করুননিজেকে।কারণ তিনিসারাদিনঅফিসে অনেককাজ করেছেন এবংসবকিছু মিলিয়েমানসিক চাপ থাকেই,তাই বাসায়আসার পর চাইবেন একটুভালো থাকতে। তাইআপনি যদি সুন্দর ভাবে থাকেন তার মন এমনিতেই ভালো হয়ে যাবেআপনাকেদেখে।আর চাকরিজীবীহলে আর কিছুনা হোক, একটিহাসি দিয়ে দিনশেষে তার সাথে প্রথম দেখাটা করুন।
সুযোগ পেলে তার পছন্দের খাবাররান্না করুন
প্রতিদিন তো আর ভালো ভালো খাবার রান্না করা যায় না, কিন্তু যখনযাইরান্না করবেন বাড়িরসবার পছন্দ মিলিয়েইরান্না করুন।আর ছেলেরা এমনিতেই খুবভোজনরসিক হয়ে থাকেন। বাড়িতে যত কাজেরলোক থাকুক,নিজের স্ত্রীর হাতের এটা-ওটা রান্না খেতে তাঁরা খুব ভালোবাসেন। একটুকষ্ট না হয় করলেনইপ্রিয় পুরুষেরজন্য।
বাসা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন
নিজের বাসাটা খুবসুন্দর করেগুছিয়েরাখুন।বাসায় বাচ্চা থাকলেসবকিছু নষ্ট করবেএটাইস্বাভাবিক। কিন্তু আপনারদায়িত্ব হল সব কিছুখেয়াল করেগুছিয়েরাখা।বাইরেথেকে আসার পর যদি সব কিছুপরিপাটিআর গোছানো থাকেতখনএমনিতেই সবার মন ভালো হয়ে যায়।দেখবেন আপনার নিজেরওভালো লাগবে।নিজে না পারলেকাজের লোক দিয়ে হলেও বাসাটা সুন্দর রাখুন।
সন্তানদের সঠিকভাবে শিক্ষা দিন
একজন স্ত্রী তখনই কোনো পুরুষের চোখে আদর্শ স্ত্রী হয়ে ওঠেন,যখন তিনিহতে পারেন আদর্শ মা।এবংমনেরাখবেন সন্তানের ভবিষ্যত কিন্তু আপনারহাতেই। তাই সন্তানের দিকেমনোযোগটা দিন সবচাইতে বেশী।
অপ্রয়োজনীয় কাজ করা থেকে বিরত থাকুন
দুজনে কতটাসময়ই বাএকসাথেপানবলুন? তিনিচাকরি করেন, হয়তো আপনিও।কিংবাব্যস্ত থাকেন সংসার নিয়ে। এক্ষেত্রে যেটুকু সময় একসাথেথাকবেন,তখনকোনো অপ্রয়োজনীয় কাজ করবেন না। নিজের সম্পূর্ণ সময় ও মনোযোগ তাঁকে দিন।
যে কাজগুলোকখনোই করবেন না
দিনশেষে স্বামী বাসায়আসার সাথে সাথেই তার সাথে ঝামেলারকোনো কিছুনিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু করবেন না। যেমন- রাতে ফিরতে কেন দেরি হল,তার কোনো একটাকিছুকরতে ভুলহয়েছে, ফোন করেনি কেন, জানায়নি কেন আসতে যে দেরি হবে ইত্যাদি। এইসমস্ত কাজ থেকে নিজেকেবিরত রাখুন।পরে ঠাণ্ডা মাথায় বলবেন,বাসায়ঢোকার সাথে সাথেই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না।
তার কথা শুনুন
হ্যাঁ, পুরুষেরাকথা বলেনকম। বিশেষকরেস্ত্রীর কাছে অনেককিছুইচেপে যানতাঁরা। কেন? কারণ মেয়েদের স্বভাব হলো কিছুনা শুনেই রিঅ্যাক্ট করা।এইকাজটি করবেন না। শান্ত মাথায়স্বামীর মনেরকথা শুনুন,তার সাথে সুখ-দুঃখ ভাগ করেনিন।
তাকে কিছুটাসময় নিজের মত থাকতে দিন
সারা সপ্তাহ কাজ করার পর ছুটির দিনে তাকে তার নিজের মতো করেথাকতে দিন। কেন ঘুরতে যেতে চাচ্ছেন না, কেন শপিং অথবা খাওয়াতে নিয়ে গেলেন না, বাচ্চাদের কেন ঘুরাতে নিয়ে যাননা এইসব অভিযোগ না করাইভালো। কারণবেশকিছুদিন টানা কাজ করার পর মানুষ একটুবিশ্রাম নিতে চায়, নিজের মত করেকিছুটাসময় পার করতে চায়। তাইসমস্ত অভিযোগ করা থেকে দূরে থাকুন।
শান্তিময় পরিবেশ বজায় রাখুন
কখনো অকারনেঝগড়া করবেন না। স্বামীকে অযথাসন্দেহ করবেন না কোনো ভুল ছাড়া।সবসময় নিজের সংসারটাকে শান্তিময় রাখুন।আপনিওভালো থাকবেনসেও ভালো থাকবে।নিজেদের মধ্যে ভালোবাসা বাড়বে।
নিজের জায়গা বুঝে সবকিছু করুন
কথায়আছে A good wife always knows her place! বুঝতে পারছেননিশ্চয়ই। তাইযখনযাই করবেন তা বুঝেশুনেকরুন।এমনকোনো কাজ করেফেলবেন না যাতে করেআপনারএবংআপনার স্বামীর মর্যাদাহানি হয়। নিজের শ্বশুরবাড়ির মানুষগুলোরসাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন। তাদের কোনো দোষ বাভুলনিয়ে স্বামীর সাথে আলাপ না করাইভালো।

বাদামী রঙের চোখের মেয়েরা বেশি বিশ্বস্ত হয়

আপনারচোখের রঙযে আপনারচরিত্রের প্রতিফলন করেতা কি আপনি জানেন? যেমন “বাদামীরঙের চোখ যেসব মেয়েদের তারা সাধারণত নীল চোখের মেয়েদের চেয়ে বেশিবিশ্বস্ত হয়”, চেকপ্রজাতন্ত্রের চার্লস্ ইউনিভার্সিটিতে সাম্প্রতিক গবেষণায় এমনই তথ্য পাওয়াগিয়েছে।
এইগবেষণায়অংশগ্রহণকারীদেরকে বলাহয়েছিল পুরুষএবংমহিলাদের চোখের দিকেতাকিয়েশুধুমাত্র চেহারার আকার এবংতাদের বিশ্বস্ততা রেটিংকরতে। অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগেরইমনেহয়েছে বাদামীচোখের মেয়েরা বেশিবিশ্বস্ত নীল চোখের মেয়েদের থেকে৷
আবারপুরুষদেরক্ষেত্রে চেহারার আকৃতি বিশ্বস্ততার নির্দেশক হিসাবে কাজ করেছে।অংশগ্রহণকারীরা বলেন,তারা সেইসব পুরুষকেবেশিবিশ্বস্ত মনেকরেন যাদের চেহারা গোলাকৃতির এবংমুখমন্ডল বড়।অপর দিকেছোট্ট চেহারার পুরুষরাতুলনামূলককম বিশ্বস্ত। এইক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে চেহারার আকৃতি মেয়েদের বিশ্বস্ততায় কোনো প্রভাব ফেলেনা, কিন্তু পুরুষদেরওপর প্রভাব বোশি করেফেলে।
গবেষণায়কেন এইরকম ফলাফল এসেছে তা আমরাবলতে পারবোনা এবংএর ভিত্তিতে কাউকেপরিমাপওকরা ঠিক না। তবে এই নতুন তথ্যে অনেকেরইআগ্রহ থাকতে পারে

আপনার প্রেমিকা আপনার কাছে যে ৪ টি মিথ্যা বলে থাকে

আপনারভালোবাসার মানুষ আপনারকাছে তার সকলঅনুভূতির কথা ব্যক্ত করবেএটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায়দেখা গেছে, মেয়েরা অনেকসময় তাদের ভালোবাসার মানুষের কাছে সত্য গোপন করেথাকে। এমনকি তারা তাদের প্রেমিকদের কাছথেকে তাদের সত্য অনুভূতির কথা অধিকাংশসময়ই গোপন করেথাকে।অবশ্য এইমিথ্যা যেহেতু ক্ষতিকারক নয়তাইএকে ‘সাদা মিথ্যা’ হিসেবে গণ্য করা যায়। মেয়েরা চায় তাদের ভালোবwwাসার মানুষটিযেন তার পছন্দের বিষয়টি তাদের দিকনির্দেশনা না শুনেই পালনকরেথাকে।জেনে নিনআপনার প্রেমিকা আপনারকাছে যে ৪টিমিথ্যা বলে থাকে-
১। আমি ভালো আছি-
‘তুমি কেমন আছো?’ এর উত্তরে আপনার প্রেমিকা যদি তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলে, ‘আমি ভালো আছি’ তবে বুঝতে হবে সে অবশ্যই ভালো নেই। মেয়েরা হয়ত ভাবে যে তাদের কণ্ঠস্বর শুনেই তাদের প্রেমিকরা তাদের অনুভূতির কথা উপলব্ধি করতে পারবেকিন্তু আদতে ছেলেরা তিমিরেই থেকে যায়।
২।বিলটাআমিই দিতে চাই-
কোন রেস্টুরেন্টে আপনি এবংআপনার প্রেমিকা খেতে গেলেন। খাওয়াদাওয়া শেষে যখন বিলদিতে আপনি উদ্যত হচ্ছেন, তখনআপনার প্রেমিকা বললবিলটাআজ আমিই দিচ্ছি। আপনার প্রেমিকার এইকথা শুনেমোটেই বিভ্রান্ত হবেন না। প্রত্যেক মেয়েইচায় তার প্রেমিকই এই দায়িত্ব পালনকরেথাকুক।
৩।তুমি আমারচেয়ে ভালো কাউকেপাবার যোগ্য-
আপনি কখনইআপনারপ্রেমিকার মুখথেকে এই বাক্যটি শুনতেচাইবেন না। “তুমি আমার চেয়ে ভালো কাউকেপাবার যোগ্য”- এর মানেহল আপনারপ্রেমিকা আপনারসাথে এইভালোবাসার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখায়আগ্রহী নয়।
৪।তুমি অন্য মেয়েদের দিকেতাকালে আমারকি-
আপনারপ্রেমিকার সাথে আপনি কোন পার্কে হাঁটছেন। আপনাদের পাশদিয়ে খুব সুন্দরি একটিমেয়ে যাওয়ারসময় আপনি ঐ মেয়েটির দিকেতাকালেন।মস্ত বড় ভুল করেফেললেন আপনি! আপনারপ্রেমিকা হয়ত এটি বলতে পারেযে, আপনি অন্য মেয়েদের দিকেতাকালে সে কিছুমনেকরেনা কিন্তু এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

এই লক্ষণগুলো দেখে বুঝবেন প্রেমিক আপনার সাথে প্রতারণা করছে!

প্রেমে প্রতারণা একটাঅসম্ভব খারাপজিনিস। যার সাথে প্রতারণা করা হয়, সেই মানুষটিএকেবারেভেঙেগুঁড়োগুঁড়োহয়ে যান। প্রতারণা নারী ওপুরুষউভয়পক্ষই করেথাকেন, তবে আমাদের আজকের বিষয় পুরুষের প্রতারণা নিয়ে। আজকাল অনেকছেলেই একসাথেএকাধিকনারীর সাথে প্রেম করেন, এবংভয়ংকর ব্যাপারটা হচ্ছে এগুলোকেতারা অন্যায়ও মনেকরেন না। অনেকে আবারএকজনের সাথে সিরিয়াস সম্পর্ক রেখেবাকিমেয়েদের “টাইম পাস” হিসাবে ধরে রাখেন।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি কীভাবেবুঝবেন আপনারপ্রেমিক পুরুষটিআপনারসাথে প্রতারণা করছে কিনা?
জেনে নিন২৫টিগুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ!
১) নিজের সেলফোনটি কখনো হাতছাড়াকরেন না তিনি।ডেট করতে গিয়েছেন,হয়তো দেখার জন্য ফোনটি হাতে নিলেন,তাতেই প্রেমিক অস্থির হয়ে পড়েন। এবংবাথরুমেগেলেওফোন সাথে করেনিয়ে যান।
২) আপনি প্রায়ই তাঁর ফোন ওয়েটিং-এ পান অদ্ভুত অদ্ভুত সময়ে। বিশেষকরেরাতে।আর প্রশ্ন করলেতিনিজবাবদেন যে বিদেশ থেকে কাজিনরাফোন করেছিল।
৩) দেখা করার ব্যাপারে আপনারই আগ্রহ বেশীসবসময়। তিনিআগবাড়িয়েবলেননা খুব একটা।
৪) আপনারআগ্রহ হলেও দেখা করার সময় ও স্থান সব সময় তিনিনির্বাচন করেন।
৫) তিনিপ্রায়ই বলেনযে এখনো বিয়েরজন্য তিনিতৈরি নন।কিংবামায়েরকত আদরের ছেলে তিনি,মায়েরপছন্দ ছাড়া বিয়েকরা তাঁর পক্ষে সম্ভব না।
৬) আপনি তাঁর ভাইবোন কিংবাকাজিনদের সাথে সেভাবে পরিচিত নন।
৭) বন্ধুদের সামনে বাফেসবুকে বাঅন্য কোথাও প্রেমিকা হিসাবে আপনাকেস্বীকৃতি দেন না তিনি। সর্বদা বলেনব্যক্তিগত সম্পর্ক আড়ালে রাখাই ভালো। অথচ আপনি নিজের বন্ধুদের সবসময় তাঁর কথা বলেন।
৮) বন্ধুদের সামনে বাফেসবুকে তিনিআপনার সাথে সাধারণআর ১০টিবন্ধুর মতইব্যবহার করেন।
৯) ফেসবুকে তাঁর নারী বন্ধুদের কমেন্ট ও সংখ্যা দেখে আপনারপ্রায়ই খটকালাগে?এই খটকাউপেক্ষা করবেন না। আপনারসহজাত অনুভবইআপনাকেসতর্ক হতে বলছে।
১০) তিনিএমনিতে আপনারসাথে যেমন ব্যবহারই করেথাকুকনা কেন, ফোন ওয়েটিং পাবার পর খুব মিষ্টি করেকথা বলে থাকেন।যেন ধরাপড়ে মিষ্টি ব্যবহার।
১১) তিনিকখনো “বিয়েকরবো, বিয়েরপর এটা হবে” ইত্যাদি বিষয়েআলাপ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না।
১২) তিনিসর্বদা বলেন যে আগে কখনো কাউকেভালোবাসেন নি, যদিও আপনি জানেন যে তাঁর আগে প্রেম ছিল।
১৩) নিজের পুরনো প্রেমিকা বাপ্রেমিকাদের ব্যাপারে কখনভালো কথা বলেননা তিনি। সর্বদা বদনাম করেন ওপ্রেমিকাদের দোষটাই দেন।
১৪) আপনারবন্ধুদের সাথে পরিচিত হতে তিনিস্বস্তি পাননা।
১৫) একসাথেছবি তুলতেও গড়িমসি করেন তিনি।
১৬) তাঁর নিজের অগণিত মেয়ে বন্ধু নিয়ে মাথাব্যথা নেই, কিন্তু আপনারজীবনেকোন ছেলে বন্ধু সহ্য হয় না তাঁর। সকলকেনিয়েই আপনাকেসন্দেহ করেন তিনি।
১৭) তিনিপ্রায়ই ফোন ধরেননা। জিজ্ঞেস করলেবলেনযে সাইলেন্ট ছিল বাখুবব্যস্ত ছিলেন,তাইলক্ষ করেন নি।
১৮) প্রায়ই তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়াযায়। জিজ্ঞেস করলেবলেনচার্জ ফুরিয়েগেছে।
১৯) তাঁর বন্ধু তালিকার মেয়েরা বাযাদেরকে তিনিফেসবুক বাটুইটারেফলো করেন, সেই সমস্ত মেয়েরা খুবই আকর্ষণীয় দেখতে। অনেকেইআছেন আপত্তিকর ভঙ্গিমা ওপোশাকে প্রোফাইল পিকচারদেয়া।
২০) তাঁর ফোনে এমনঅনেকনম্বর আছে যেগুলোসাংকেতিকশব্দ দিয়ে সেভ করা।
২১) তিনিএখনো সকলের সামনে নিজেকে”সিঙ্গেল” পরিচয়দেন।
২২) তিনিকোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন ইত্যাদি আপনি পরিষ্কারভাবে কিছুইজানেন না।
২৩) তিনিআপনাকেঠিক ততটুকুই মনযোগ দেন যতটুকু না দিলেইনয়।বাড়তি আহলাদ বাভালবাসাকিছুইপাননা আপনি।
২৪) আপনারমনেরখবরনেয়ার ব্যাপারে, পরিবারেরব্যাপারে তাঁর বিশেষআগ্রহ নেই।
২৫) তিনিআপনারপেছনে বিশেষটাকাপয়সা খরচ করেন না, যদিও তাঁর সামর্থ্য আছে।

সত্যিকার ভদ্র মেয়েদের বৈশিষ্ট

ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। এমন অনেকপুরুষআছেন যারা ভদ্র মেয়ে বিয়েকরবেন এইভেবেবিয়েই করছেননা, অথচ বিয়েরবয়স যাচ্ছে পেরিয়ে।আসুন কিছুকমনবৈশিষ্ট্য দেখে চিনেনেই সত্যিকারের ভদ্র মেয়ে:
১) ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুবসচেতন থাকে।এমনকিছু পরে না যাতে করেবাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
২) ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে।তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চায় না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেতা টিকিয়ে রাখতে।
৩) ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবংবয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবেগুরুত্ব দেয়। একটিরজন্য অপরটিরউপরপ্রভাব পড়ুক তা তারা চায় না। যার জন্য তাদের ঝামেলাপোহাতে হয় বেশি।
৪) ভদ্র মেয়েদের রাগএকটুবেশি।যার উপর রেগেযায় তাকে মুখের উপরসব বলে দেয়। মনেকোনও রকম রাগ,হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিওপেয়ে বসে।
৫) ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলাপোহাতে হয় বিশেষকরেতাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগেথাকলেঅযথাবয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুলবুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুববেশিভালোবাসে।
৬) ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয়লুলুপুরুষথেকে তারা ১০০হাত দূরে থাকে।
৭) ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুবসীমিত থাকে।
৮) ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটাযেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাবপেতে হয়।
৯) ভদ্র মেয়েদের কবিতালেখারপ্রতি আগ্রহ বেশি।তারা তাদের লেখাকবিতাসচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকেদেখাতে চায় না।
১০) ভদ্র মেয়েরা সাধারণঘরকুনো স্বভাবের বেশিহয়।
১১) ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারেরসম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারেরসম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনওকরেনা।

সত্যিকার ভদ্র মেয়েদের বৈশিষ্ট

ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। এমন অনেকপুরুষআছেন যারা ভদ্র মেয়ে বিয়েকরবেন এইভেবেবিয়েই করছেননা, অথচ বিয়েরবয়স যাচ্ছে পেরিয়ে।আসুন কিছুকমনবৈশিষ্ট্য দেখে চিনেনেই সত্যিকারের ভদ্র মেয়ে:
১) ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুবসচেতন থাকে।এমনকিছু পরে না যাতে করেবাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
২) ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে।তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চায় না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেতা টিকিয়ে রাখতে।
৩) ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবংবয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবেগুরুত্ব দেয়। একটিরজন্য অপরটিরউপরপ্রভাব পড়ুক তা তারা চায় না। যার জন্য তাদের ঝামেলাপোহাতে হয় বেশি।
৪) ভদ্র মেয়েদের রাগএকটুবেশি।যার উপর রেগেযায় তাকে মুখের উপরসব বলে দেয়। মনেকোনও রকম রাগ,হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিওপেয়ে বসে।
৫) ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলাপোহাতে হয় বিশেষকরেতাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগেথাকলেঅযথাবয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুলবুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুববেশিভালোবাসে।
৬) ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয়লুলুপুরুষথেকে তারা ১০০হাত দূরে থাকে।
৭) ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুবসীমিত থাকে।
৮) ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটাযেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাবপেতে হয়।
৯) ভদ্র মেয়েদের কবিতালেখারপ্রতি আগ্রহ বেশি।তারা তাদের লেখাকবিতাসচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকেদেখাতে চায় না।
১০) ভদ্র মেয়েরা সাধারণঘরকুনো স্বভাবের বেশিহয়।
১১) ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারেরসম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারেরসম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনওকরেনা।

ভালোবাসা মানে কি কেবল প্রেমিকা কিংবা বউকে রাশি রাশি উপহার দেয়া, দামী রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া কিংবা এখানে-সেখানে ঘোরা প্রতিদিন? একদম কিন্তু নয়! এসব দিয়ে কিছু মেয়েকে খুশি করা যায় বটে, কিন্তু বেশিরভাগ মেয়েই খুশি হয়ে থাকেন একদম সাধারণ কিছু ভালোবাসায়। হয়তো আপনার কাছে সেটা খুবই আনরোমান্টিক বা মূল্যহীন, কিন্তু মেয়েদের কাছে বিষয়টির মূল্য অনেক বেশি।

আসুন, জানিয়ে দেই ৮টি এমন কাজ সম্পর্কে, যেগুলো করার মাধ্যমে খুব সহজেই জিতে নিতে পারবেন আপনি পছন্দের মেয়েটির মন। এবং সহজে আর অন্য কোন পুরুষ স্থান করে নিতে পারবে না সেই মনে। আর হ্যাঁ, আপনাদের ভালোবাসা হয়ে উঠবে অনেক বেশি মজবুত ও সুন্দর।

১) চুম্বনটি হোক ভীষণ আন্তরিক
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন, চুমু তো আন্তরিকই হয়! চুমু খাওয়ার সময় তাঁর সুন্দর মুখটি নিজের দুহাতে কোমল করে ধরুন। আর অনেকটা সময় নরম করে তাকিয়ে থাকুন। দেখবেন, এই সামান্য জিনিসটি তিনি কি পছন্দই না করছেন। একটু লজ্জা পাচ্ছেন, আবার একটু খুশিও হচ্ছেন। নারীদের কাছে এই বিষয়টি খুব রোমান্টিক।
২) মাঝে মাঝেই তাঁর মাথায় হাত রাখুন
ভালোবাসা মানে শুধু তীব্র প্রেম আর দৈহিক আকর্ষণ নয়। একদম সাধারণ একটি স্পর্শও প্রকাশ করতে পারে গভীর ভালোবাসা। তাঁর মাথায় হাত রাখুন, কখনো চুলের মাঝে হাত বুলিয়ে দিন, মুখে চুল এসে পড়লে আলতো করে সরিয়ে দিন। আপনার এই ভালোবাসার ছোট্ট আচরণ তাঁর মনে তৈরি করে নেবে বিশাল একটি জায়গা।
৩) তাঁকেও সুযোগ দিন আরাম করার
আপনার স্ত্রী নিশ্চয়ই সারাদিন কাজ করেন বাসায়? আর কর্মজীবী হয়ে থাকলে তো বাসা-অফিস মিলিয়ে তাঁর অবস্থা নিশ্চয়ই কাহিল! বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত। চেষ্টা করুন এটা-সেটায় তাঁকে একটু সাহায্য করতে। নিজে রাঁধতে না পারেন, মাঝে মাঝে ডিনারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে না হয় বাইরে থেকেই খাবার কিনে আনুন। এই একটুখানি আদরে আপনি তাঁর কাছে পাবেন আন্তরিক সম্মান।
৪)দুজনে বাইরে যাচ্ছেন?
হয়তো স্ত্রী বা প্রেমিকা খুব সেজেগুজে বের হয়েছেন আপনা সাথে বেড়াতে যাবেন বলে। হয়তো সাধারণত রিকশা বা বাসেই চলাচল করেন আপনারা। আজ নিয়ম ভেঙে একটি সিএনজি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে ফেলুন। একটুখানি আরামে দুজনে পাশাপাশি উপভোগ করুন খানিকটা সময়। একটা দিন নাহয় তাঁকে বাস বা রিকশার যন্ত্রণা থেকে বাঁচিয়ে দিলেন।
৫) ভিড়ের মাঝে আগলে রাখুন
প্রচণ্ড ভিড় হয়তো বাসে কিংবা মার্কেটে। হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন বা সিনেমায় গেছেন, সেখানেও। এই ভিড়ের মাঝে ভালোবাসার নারীকে অবশ্যই একটু আগলে রাখুন। চেষ্টা করুন তাঁকে ঠেলাঠেলি থেকে রক্ষা করতে, হাতটা শক্ত করে ধরে রাখুন। কে কী ভাবল সেসব নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে যেন বোঝে যে জীবনের সকল পরিস্থিতিতে আপনি তাঁর পাশেই আছেন।
৬) সবসময় তাঁকে সুন্দর, পরিপাটি থাকার জন্য চাপ দেবেন না
হ্যাঁ, তিনিও মানুষ। সবসময় সুন্দর পোশাক পরে পরিপাটি থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। সবসময়ে একজন মানুষকে দেখতে ভালো দেখানো এক কথায় অসম্ভব। তিনি যখন নিজের সবচাইতে খারাপ পোশাকটি পরে আছেন, কিংবা যেদিন তাঁকে দেখতে সবচাইতে বাজে লাগছে, কিংব সাজসজ্জা বিহীন ঘুরতে বেরিয়েছেন- তখনও তাঁকে সুন্দর বলুন। মিথ্যা করে হলেও বলুন। এই ছোট্ট মিথ্যাই তাঁকে নিয়ে আসবে আপনার খুব কাছাকাছি।
৭) ভুলবেন না ছোট্ট উপহার
তাঁকে অনেক কিছু কিনে দেয়ার সামর্থ্য নিশ্চয়ই আপনার আছে। কিন্তু সেসবের ভিড়ে ছোট্ট কিন্তু প্রিয় উপহার গুলোর কথা ভুলে যাবেন না। একটু ফুল, প্রিয় চকলেট, একটা গান, এক গুচ্ছ চুড়ি কিংবা এক পাতা টিপ- এসবের মাঝে যে রোমান্টিকতা আছে সেসব আসলে আর কিছুর মাঝে নেই।
৮) ছোট্ট আদুরে জেদ করুন
এর অর্থ তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করা। কী রকম? যেমন ধরুন তাঁর চোখের কাজল আপনার খুব ভালো লাগে, কিংবা কপালের টিপটা। আদর করে জানিয়ে দিন- “তুমি কিন্তু টিপ না পরে বাইরে মোটেও যাবে না!” এই সামান্য ব্যাপারে তিনি যে কতটা খুশি হবেন আপনার ধারণাও নেই।
জীবন একটাই। ভালো থাকুন, ভালো বাসুন।