এলার্জিকে আজীবনের জন্য গুডবাই দিন

Tags

,

মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগী যে সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –

১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন।

৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।

৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে।

৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।

কাশ্মীর-কন্যাকুমারীকা জুড়ে অপরূপ ১০ রেলপথ

Tags

, ,

railline

রেলযাত্রা সবসময়ই খুব ‘বোরিং’। তাই দূরপাল্লার ট্রেনে যাওয়ার সময় সঙ্গে থাকে অজস্র খাবার, গল্পের বই। জানালর ধারে বসে থাকলেও সময় কাটেনা। সাধারণত মাঠের মাঝ দিয়েই হয় রেললাইন। তাই দৃশ্যে বৈচিত্র্য থাকে না খুব বেশি। তবে ভারতে এমন কয়েকটি রেললাইন রয়েছে, যার উপর দিয়ে গেলে সময় কোথা দিয়ে কেটে যায় তা বোঝাই যায় না।

১. জম্মু-উধমপুর রেলপথ:d4_1374960g

কাশ্মীর রেলওয়ে ভারতের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রজেক্ট। একদিকে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, অন্যদিকে বরফে মোড়া পাহাড়। তাছাড়া এই অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি রেলযাত্রীদের রোমাঞ্চ জাগায়। এই রুটে রয়েছে ২০ টি টানেল ও ১৫৮ টি ব্রিজ। ব্রিজের উপর থেকে দেখা যায় অসাধারণ সুন্দর নদী আর উপত্যকার ছবি।

২. কাংড়া উপত্যকা রেলপথ:dsc_8230-copy

কাংড়া উপত্যকা রেলওয়েটি উপ হিমালয় এলাকা দিয়ে গিয়েছে। পঞ্জাবের পাঠানকোট থেকে শুরু হয়ে হিমাচল প্রদেশ অবধি গিয়েছে রেললাইনটি। ১৬৪ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে এটি। একাধিক উপত্যকা, নদীর উপর দিয়ে পথ। ১০ ঘণ্টা কোথা দিয়ে চলে যাবে বোঝাই যাবে না।

৩. গোয়া রেলপথ (ভাস্কো-ডা-গামা থেকে লোন্দা জংশন)goa

গোয়া বলতেই আমরা বুঝি শুধু সুন্দর সব সমুদ্র সৈকত। কিন্তু, আরও একটা দিক রয়েছে যেটা কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যায় না। এই রেলপথে দেখা যায় ঘন জঙ্গল, সবুজে ঘেরা গ্রাম আর ঝর্ণা। পশ্চিমঘাট পর্বতের বাঁক দিয়ে গিয়েছে এই রেলপথ। এই পথেই পড়ে দুধসাগর ওয়াটারফলস, এটি ভারতের অন্যতম উঁচু ঝর্ণা।

৪. হিমালয়ান কুইন(কালকা-সিমলা):toy-train-kalka-to-shimla

একমাত্র রেলপথ যেটা গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে। ক্রমশ উঁচুর দিকে উঠে গিয়েছে এই রেলপথ। ১৯০৩ সালে তৈরি হওয়া এই রেললাইন একি হেরিটেজ। এই লাইনে রয়েছে ১০২ টি টানেল, ৮৬৪ টি ব্রিজ।

৫. দার্জিলিং টয় ট্রেনTrain-toy-final-2-720

পাহাড়ের কোলে তৈরি হওয়া সবথেকে পুরনো রেলপথ। এটি ইউনেসকোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের মধ্যে একটি। পথে রয়েছে অনেকগুলি লুপ। আকাশ পরিষ্কার থাকলে বরফে মোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। রেলপথের পাশে রয়েছে চা বাগান, চেরি গাছ, ম্যাপল গাছ ইত্যাদি।

৬. জয়পুর-জয়সলমীর:The-Desert-Queen-Jaipur-Jaisalmer

এই রেলপথে যাওয়ার সময় পাওয়া যাবে মরুভূমির এসেন্স। রাজধানী শহর জয়পুর থেকে ট্রেন ছুটে যায় মরু শহরের দিকে। পরপর থর মরুভূমির বালিয়াড়ি চোখে পড়বে। মাঝে থাকবে রঙিন সব ঘর। উটের চলাচল, সব মিলিয়ে ছবির মত দৃশ্য। আর যদি সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত ভাগ্যে থাকে, তাহলে তো কথাই নেই।

৭. মন্ডপম-রামেশ্বরম21THTRAIN_1336502f

নীল সমুদ্রের উপর দিয়ে সেতু। আর সেই সেতুই রেলপথ। তামিলনাড়ুর মন্ডপম থেকে পামবন দ্বীপ পর্যন্ত যে সেতুটি তৈরি হয়েছে সেটি ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু। আপনি যদি রামেশ্বরমের তীর্থযাত্রী নাও হন, তাহলেও আপনি এই রেলপথের প্রেমে পড়তে বাধ্য।

৮. এনারকুলাম-ত্রিবান্দমKonkan-Rail-Line

কেরলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য এর থেকে ভালো রেলপথ আর হতে পারে না। ট্রেনের টিকিট কাটুন আর একযাত্রায় দেখে নিন কেরলের পুরো প্যাকেজ। ব্যাকওয়াটার, প্রিস্টিন লেক, নারকেল গাছের সারি, সবুজে ঘেরা গ্রাম সবই দেখতে পাবেন আপনি। কেরলের ব্যাকওয়াটারে যেভাবে ছোট ছোট দ্বীপ বানিয়ে মানুষজন বসবাস করছেন, সেই দৃশ্য সত্যিই উপভোগ।

৯. নীলগিরি রেলওয়েNMR_Train_on_viaduct_05-02-26_33

নীল পাহাড়ের ভিতর দিয়ে যখন ট্রেন নিয়ে যাবে আপনাকে, তখন একটু হলেও বুক কেঁপে উঠবে আপনার। ১১০ বছর ধরে ট্রেন চলছে এই পথে। স্টিম ইঞ্জিন আপনাকে ৪৬ কিলোমিটার নিয়ে যাবে সাড়ে চার ঘণ্টায়। উটির পাহাড়ের বাঁক দিয়ে ট্রেন যখন ঘুরবে, তা আলাদা অ্যাডভেঞ্চারের অনুভূতি দেবে। চোখে পড়বে চা বাগানের গালিচাও।

১০. ভাইজাগ-আরাকুভ্যালিVisiting-Araku-Valley-by-train-from-Visakhapatnam

আরাকুভ্যালি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক থেকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। কফি গাছ, ঘন জঙ্গল এখানকার বৈশিষ্ট্য। আর এই আরাকুর সঙ্গে রেল সংযোগ রয়েছে ভাইজাগের। আর সেই রেলপথে চোখে পড়বে বেশ কয়েকটি গুহা ও ঝর্ণা।

সৌদি আরবের জমজমের পানির রহস্য উন্মোচন করলেন জাপানী বিজ্ঞানী

বিজ্ঞান এর সূচনালগ্নের অনেক পরে জমজমের পানি সম্পর্কে নতুন রহস্য প্রকাশ করেছে এবং এটা কিভাবে গৌরবময় কোরানের আয়াত দ্বারা প্রভাবিত হয়। আপনি আশ্চর্য হবেন! আমরা সাম্প্রতিককালে মাদুলীর বা তাবিজের ব্যবহারের মূল্য বুঝতে সমর্থ হয়েছি। এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত হয়েছে যে পান যোগ্য পানির উপরে যা পাঠ করা হয় তা দ্বারা কিভাবে প্রভাবিত হয়। জাপানের বিজ্ঞানী মাশারো ইমোটোর একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হয়েছিল।

তিনি বলেছিলেন যে তিনি একটি বইতে পড়েছেন যে আকাশ থেকে পড়া তুষার কনা হচ্ছে অনন্য। তিনি বলেছেন যে তার বৈজ্ঞানিক অনুভূতি তাকে বলেছিল যে এটা সত্য হতে পারে না। তুষার কনার জ্যামেতিক আকার এর রাসায়নিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত হয়। পানির গঠন সু-পরিচিত। দুইটি হাইড্রোজেন পরমানু ও একটি অক্সিজেন পরমানু দ্বারা এটা গঠিত হয়।

তাই আকাশ থেকে পড়া তুষার কনাগুলো একে অন্যের থেকে আলাদা কিভাবে হতে পারে? তিনি বলেছেন, “আমি দৃঢ় মানষিকতা বদ্ধ ছিলাম যে এই তত্ত্বকে কিভাবে ভুল প্রমানিত করব।” তিনি একটি গবেষনাগার তৈরি করেছিলেন যাতে একটি রেগুলেটরসহ একটি ডিপ ফ্রিজার ছিল। যেহেতু কোন তরল পদার্থ যদি হঠাৎ করে জমাটবদ্ধ করা হয় তাহলে একটি জ্যামেতিক আকার গ্রহণ করতে পারে না।

জমাট বাধা অবশ্যই ধীরে হতে হবে যাতে করে পরমানুগুলো বিধাতা দ্বারা নির্ধারিত আকারে স্ফটিকায়ন হবার সুযোগ লাভ করে। একটি রেগুলেটরসহ একটি ডিপ ফ্রিজার ছিল। মাইনাস (-৭ ) ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় একটি ঠান্ডা কক্ষ এবং ক্যামেরা দ্বারা সুসজ্জিত কতগুলি অনুবীক্ষন যন্ত্র ছিল যাতে করে তুষার কনা গলে যাওয়ার আগে এগুলোর আলোকচিত্র গ্রহণ করা যায়।

বিজ্ঞানীরা এই কক্ষে গরম কাপড় পরে কাজ করা শুরু করে। তিনি বলেছিলেন, “আমি গবেষনাগারে দুইটি নলের থেকে নমুনা নিয়েছিলাম, আমি এদেরকে জমাট করি, এবং প্রতিটি নমুনা আমাকে একটি আলাদা তুষার কনা দিয়েছিল।

নমুনাগুলি দুইটি আলাদা কুপের থেকে, দুইটি আলাদা নদীর থেকে এবং দুইটি আলাদা হ্রদের থেকে গ্রহণ করেছিলাম। আমি পাগল হয়ে গেছিলাম এবং ভেবেছিলাম এটি একটি যাদু মন্ত্র।” টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায়নরত একজন সৌদি ছাত্রের সাথে তার হঠাৎ করে দেখা হয় এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে কি ভুল হয়েছে। মাশারো তাকে তার সমস্যা সম্পর্কে বলে।

ছাত্রটি তাকে বলে যে, “আমাদের আর্শীবাদ পুষ্ট পানি আছে যাকে জমজমের পানি বলে। আমি আপনাকে এই পানির একটি নমুনা দেব যাতে করে আপনি এর উপর পরীক্ষা চালাতে পারেন। জমজমের পানি যাদু মন্ত্র বা জীন দ্বারা প্রভাবিত হয় না, তাই এটা ব্যবহার করা হলে এটা সমগ্র তত্ত্ব প্রমান বা মিথ্যা সাব্যস্থ করবে।” ইমোটো জমজমের পানির একটি নমুনা নিলেন এবং বললেন, “আমি এটাকে স্ফটিকায়ন করতে পারি নি, এমনকি পর্যন্ত পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করার পরেও।” অন্য কথায় তিনি ১ ঘন সেন্টিমিটিারকে ১ লিটারে রূপান্তর করেন।

তিনি বলেন যে তিনি যখন পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করেন এবং জমাটবদ্ধ করেন তিনি তখন একটি অনবদ্য আকারের স্ফটিক লাভ করেন। দুইটি স্ফটিক গঠিক হয় একটি অপরটির উপরে, কিন্তু এগুলি একটি অনন্য আকার গ্রহন করে। যখন তিনি তার মুসলিম সহকর্মীকে জিজ্ঞাসা করেন কেন দুটো স্ফটিক হলো তিনি তাকে বলেন যে যেহেতু জমজম দুইটি শব্দ দ্বারা গঠিত, “জম এবং জম”। মাশারো ইমোটো বলেন, “আমার মুসলিম সহকর্মী পানির উপর কোরআনের আয়াত পাঠ করার প্রস্তাব দেয়”।

সে একটি টেপ রেকর্ডার নিয়ে আসে এবং কতগুলি কোরআনের আয়াত বাজায় এবং আমরা সবচাইতে নিখুত আকৃতির স্ফটিক লাভ করি। তার পরে সে আল্লাহ (সর্বশক্তিমান) এর ৯৯টি নাম বাজায়। প্রতিটি নাম একটি অনবদ্ধ আকারের স্ফটিক তৈরি করে। যখন ডাক্তার ইমোটো এইসব পরীক্ষা সম্পন্ন করেন যা ১৫ বছর স্থায়ী হয়েছিল তিনি একটি ৫ খন্ডের বই নির্মান করেন যার নাম হচ্ছে “পানির থেকে বার্তা”। তিনি লেখেন, “আমি প্রমান করেছি যে পানি, ঐ বিশেষ তরলটি চিন্তা করার, মাপার, বোধ করার, উত্তেজিত হওয়ার এবং নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে”।

ডাক্তার মাশারো ইমোটো নিম্নোক্তভাবে লিখেছেন, জমজম পানির গুণ/বিশুদ্ধতা এই পৃথিবীর অন্য কোথাও পানিতে এর যে গুণ আছে তা পাওয়া যাবে না। তিনি নানো নামের প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, এবং জমজম পানির উপর প্রচুর গবেষনা করেন এবং দেখতে পান যে যদি জমজম পানির ফোটা নিয়মিত পানির ১০০০ ফোটাতেও মিশ্রিত হয় তবুও নিয়মিত পানি জমজম পানির মত সমান গুণ লাভ করবে।

তিনি আরো দেখতে পান যে জমজম পানির এক ফোটাতে একটি খনিজ পদার্থের এর নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে যা এই পৃথিবীর অন্যকোন পানিতে পাওয়া যাবে না। তিনি কিছু পরীক্ষাতে দেখতে পান যে জমজম পানির গুণ বা উপকরণ পরিবর্তন করা যায় না, কেন, বিজ্ঞান এর কারণ জানে না। তিনি এমনকি পর্যন্ত জমজম পানির পুন-প্রক্রিয়াজাত করেন, কিন্তু কোন পরিবর্তন হয় নি, এটা বিশুদ্ধ ছিল। এই বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন যে মুসলমানেরা খাওয়া বা পান করার আগে বিসমিল্লাহ বলে। তিনি বলেন যে নিয়মিত পানিতে বিসমিল্লাহ বলা হলে এর ফলে নিয়মিত পানির গুণে কতগুলি অদ্ভুতপরিবর্তন ঘটে।

এর ফলে এটা সবোর্ত্তম পানি হয়। তিনি আরো দেখতে পান যে যদি নিয়মিত পানির উপর কোরআন পাঠ করা হয় তা হলে এটা বিভিন্ন ব্যাধি চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা লাভ করে। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয় আল্লাহর এটা একটি কুদরত। জমজম পানি পর্যায় ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১০.৬ ফুট নিচে এটা আল্লাহর কুদরত যে জমজম ক্রমাগত প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার হারে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় ধরে পাম্প করা হয় তখন পানির পর্যায় ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৪৪ ফুট নিচে নেমে যায়, কিন্তু যখন পাম্প করা বন্ধ করা হয় তখন পর্যায় দ্রুত ১১ মিনিট পরে আবার ১৩ ফুট উচ্চতায় ফিরে আসে।

প্রতি সেকেন্ড ৮০০০ লিটার অর্থ হল ৮০০০ x ৬০ = ৪,৮০,০০০ লিটার প্রতি মিনিটে, প্রতি মিনিটে ৪,৮০,০০০ লিটারের অর্থ হল ৪,৮০,০০০ x ৬০ = ২৮.৮ মিলিয়ন লিটার প্রতি ঘন্টায় এবং প্রতি ঘন্টায় ২৮.৮ মিলিয়ন লিটার মানে হচ্ছে ২৮৮০০০০০ x ২৪ = ৬৯১.২ মিলিয়ন লিটার প্রতি দিনে। তাই তারা ২৪ ঘন্টায় ৬৯০ মিলিয়ন লিটার জমজম পানি পাম্প করে, কিন্তু এটা কেবলমাত্র ১১ মিনিটে আবার পূর্ণ হয়। এখানে দুইটা কুদরত আছে, প্রথমটি হলো জমজম দ্রুত পুনর্ভর্তি হয় এবং দ্বিতীয় হলো আল্লাহ অসামান্য শক্তিশালী একুফার ধারণ করেন যা কুপের বাইরে কোন অতিরিক্তজমজম পানি নিক্ষেপ করে না। অন্যথায় পৃথিবী ডুবে যেত।

আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন যে, “আমরা তাড়াতাড়ি তাদেরকে বিশ্ব ভ্রমান্ডে আমাদের চিহ্ন দেখাব এবং তাদের নিজস্ব আত্মায় আমাদের চিহ্ন দেখাব, যতক্ষণ না পর্যন্ত এটা তাদের কাছে পরিষ্কার হয় যে এটা হচ্ছে সত্য। এটাকি আপনার প্রভু সম্পর্কে যথেষ্ট না যে তিনি সকল জিনিসের উপরে একজন স্বাক্ষী?”

পৃথিবীর সবচেয়ে গোপনীয় এবং রহস্যময় জায়গা

প্রকাশিত:জুন ৬, ২০১৫
Area 51

বিডিমর্নিং ডেস্ক-
অন্ধকার যুগ পেরিয়ে মানুষ এখন বিজ্ঞানের যুগে।বিজ্ঞানের কল্যাণে মানুষ এই পৃথিবীর সকল নানা অজানা রহস্য ভেদ করছে। শুধু এপৃথিবী নয় মহাকাশে পৌঁছে গেছে মানুষ করতে পারছে নুতুন রহস্য ভেদ। কিন্তু চাইলেই কি পৃথিবীর সব গোপনীয়তা ভেদ করা সম্ভব ? উত্তরটা অবশ্যই না। পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেগুলোতে চাইলেও কখনোই যাওয়া যায়না, জানা যায়না কি হচ্ছে সেখানে, আর কেনইবা এতসব গোপনীয়তা ? আজকে এমনি কিছু রহস্যময় জায়গার কথা বলব যেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সবসময় অধরাই থেকে গেছে। সাধারণ মানুষ পরতের পর পরত রহস্যের গল্প বুনে গেছে এগুলো নিয়ে, কিন্তু কূলকিনারা করা হয়নি কোন রহস্যের।
মস্কো মেট্রো-২
এটি রাশিয়ায় অবস্থিত। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রউন্ড সিটি এইটি। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সরকারের তরফ থেকে কখনই এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নেওয়া হয়নি। স্তালিনের আমলে এইটি তৈরি করা হয়েছিল। একটা বিশাল অংশের মানুষ মনে করে এটি ক্রেম্লিনের সাথে fsb headquarter এর সংযোগ স্থাপন করেছে। পুরো একটি শহর এটি অথচ মানুষ এই জায়গায় যাওয়া তো দূরে থাক, এখনো এই সম্পর্কে ভাল করে কিছু জানেই না।
মস্কো মেট্রো-২
Mosco metro>
এরিয়া ৫১
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদাই অবস্থিত এই জায়গাটি নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ এখনো একটা ঘোরের মধ্যে আছে। এটি একটি মিলিটারি বেইজ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে সিকিউর এলাকাগুলোর একটা। এর এরিয়ার বাইরেও একটা বিশাল এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কি করা হয় ওখানে ? পৃথিবীর একটা বিশাল অংশ মানুষের ধারনা ওখানে এলিয়েন নিয়ে গবেষণা করা হয়। অনেক মানুষ এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগ করা গেছে বলেও বিশ্বাস করে।
area 51

ইজে গ্রান্ড শ্রিন : জাপান
জাপানের সবচেয়ে গোপনীয়, পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান। খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে এটি নির্মাণ করা হয় বলে ধারনা করা হয়। জাপানের রাজকীয় পরিবার আর প্রিস্ট ছাড়া এতটা কাল এখানে আজ পর্যন্ত কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। এই শ্রিনটি প্রতি ২০ বছর পরে ভেঙে আবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়।
কেন এত গোপনীয়তা ? ইতিহাসবিদদের মতে এককালের জাপানিজ সাম্রাজ্যের অনেক পুরনো মূল্যবান নথিপত্র ওখানে লুকায়িত আছে, যেগুলো বিশ্বের সামনে আগে কখনোই আসেনি।
ege grand spin
ভ্যাটিক্যান সিক্রেট আর্কাইভস
যুগযুগ ধরেই ভ্যাটিকান সিটি মানুষের রহস্যের খোরাক, সেই যীশুর আমলের আগ থেকেই পৃথিবীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের সাক্ষী এই ভ্যাটিকান। এটি মূলত একটি লাইব্রেরী। এই জায়গাটিকে storehouse of secret ও বলা হয়। খুব সংখ্যক স্কলারই এই জায়গায় ঢুকতে পারেন তাও পোপের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে। এখানে প্রায় ৮৪০০০ বই আছে আর এই জায়গাটি প্রায় ৮৪ কিমি দীর্ঘ। ধারনা করা হয় খ্রিষ্টান, মেসনারি, প্যাগান আরও অনেক ধর্ম আর মতবাদের অনেক গোপন ডকুমেন্ট এখানে সংরক্ষিত আছে।
Vatican sicret argaivas
ক্লাব ৩৩- ডিজনিল্যান্ড
সারা বিশ্বের মানুষের জন্য ডিজনিল্যান্ড একটি বিনোদনের জায়গা। পুরো জায়গাটিই সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত শুধুমাত্র ক্লাব ৩৩ ছাড়া। খুব খুব রেস্ট্রিক্টেড করে রাখা হয়েছে ওই জায়গাটি। স্বয়ং ওয়াল্ট ডিজনি এই ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা। খুব আশ্চর্যের ব্যাপার হল আপনি যদি আজকে আবেদন করেন এই ক্লাবটির সদস্য হতেই আপনার প্রায় ১৪ বছর সময় লাগবে।
Disney club 33

এসি ছাড়াই ৫ মিনিটে ঘর ঠাণ্ডা করার উপায়!

প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে পড়েছেন প্রায় সবাই। রাস্তায় গরম, কর্মক্ষেত্রে গরম। সারাদিন না হয় কোনরকম সহ্য করা গেলো, কিন্তু এই প্রচণ্ড গরমে রাতের বেলাও যে ঘুম হচ্ছে না! সকলের বাড়িতে তো আর এসি নেই, সকলের এসি কেনার সামর্থ্যও নেই। অনেকের ঘরেই বাতাস খুব বেশী চলাচল করে না, ফলে বাতাস চলাচলে ঘর ঠাণ্ডা হয় না। অনেকের বাড়ি আবার ছাদের ঠিক নিচে বলে গরমটা অনেক বেশী লাগ, দিন শেষে ঘরটা হয়ে থাকে উনুনের মত গরম। তাহলে কী করবেন? জেনে রাখুন এসি ছাড়াই সাধারণ টেবিল ফ্যান দিয়েই ঘরকে শীতল করে ফেলার একটি দারুণ উপায়!

ঘরে টেবিল ফ্যান আছে নিশ্চয়ই? না থাকলে একটি টেবিল ফ্যান কিনেই ফেলুন। কেননা এই টেবিল ফ্যানই আপনাকে এসির আরাম দেবে! আর নিশ্চয়ই ঘরে ফ্রিজও আছে। সেটাও হবে বিপদের বন্ধু!

যা যা লাগবে:

একটি টেবিল ফ্যান

বড় এক বাটি বরফ

যা করবেন:

-ঘরের জানালা খুলে দিন।

-এই জানালার দিকে পেছন অংশটা দিয়ে টেবিল ফ্যান ছেড়ে দিন। এমনভাবে দিন যেন জানালার খোলা অংশের ঠিক সামনেই ফ্যানটা ঘরে। এই টেবিল ফ্যান বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে টেনে আনবে।

-তারপর টেবিল ফ্যানের ঠিক সামনে একটি বড় বাটি ভর্তি বরফ রাখুন। এমনভাবে রাখুন যেন বাতাস এই বরফের গায়েও লাগে।

– আর তারপর দেখুন ম্যাজিক। কিছুক্ষণের মাঝেই আপনার ঘর থেকে গরম হয়ে যাবে একেবারে গায়েব! শুধু গায়েব না, ঘরটা হয়ে উঠবে শীতল। যতক্ষণ বরফ থাকবে, শীতল ভাব বজায় থাকবে। বরফ গলে গেলেও ঘরটা গরম হবে না।

যে ৬টি ভুলে ছেলেদের প্রেম স্থায়ী হয়না

গার্লফ্রেন্ড অর্জনের চেয়ে রক্ষা কার কঠিন। কেন কঠিন? কারণ আপনি কি ভালো? আপনার প্রেমিকার জন্য আপনি কি পারফেক্ট? তার মন বুঝে চলার ক্ষমতা কি আপনার আছে? কি কি ঘাটতি আছে আপনার মধ্যে যার জন্য মেয়েদের সাথে আপনার সম্পর্ক বেশি দূর যাওয়ার বদলে ছিটকে পড়ে। ছেলেদের যে ৬টি ভুলের কারনে মেয়েরা আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে সেই বিষয়গুলো আজ তুলে ধরছিঃ

১. সহজে বেজায় খুশি:
আপনার সম্পর্কের শুরুতেই যদি প্রেমিকিার খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঘাটাঘাটি করেন তবে সে এটি খারাপ দৃষ্টিতে দেখে। প্রেমিকার যে কোন কথা অক্ষরে অক্ষরে মানা বা প্রেমিকিা যা বলে তা করতে সবসময়র প্রস্তুত থাকে তবে সেই ছেলেকে নিয়ে মেয়েটি অবশ্যই দিধায় ভোগে।

২. খুব শিগগিরই বেশি অধিকার খাটানো:
যদি আপনাদের সম্পর্ক খুব অল্প দিনের হয় তবে এমন হতে পারে যে, আপনার প্রেমিকা তার আত্মীয় স্বজন বা বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গেছে ফলে আপনার সাথে দেখা করতে একটু দেরি হলো এমতা অবস্থায় আপনি যদি অত্যধিক উতলা হয়ে ওঠেন। তাকে বার বার ফোন, ফোন ম্যাসেজ বা ফেসবুকে ম্যাসেজ নক করেন তবে আপনার প্রেমিকা স্বভাবিকভাবে বির্কত বোধ করবে। কারণ আপনাদের সম্পর্ক বেশি দিনের নয়।

৩. আপনি জানেন বিষয়টি কেমন:
যদি এমনটি হয় আপনার প্রেমিকা তার বান্ধবী বা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। কিন্তু, এই আড্ডার ২/৩ ঘন্টার ভিতর আপনি আপনার প্রেমিকাকে একবার ফোনে কল বা ম্যাসেজ দিয়ে মনে করলেন না। আপনি বাসায় টিভি বা ফেসবুকে সময় কাটালেন, তাহলে আপনার প্রেমিকা সেটা ভালোভাবে নিবে না। বরং আপনি তাকে বোঝান, আর স্বাধীনতা দিন দেখবেন একসময় সে আপনাকে ছাড়া চলবেই না।

৪. যেকোনো খরচে মানিব্যাগটি বের করে ফেলেন:
রেস্টুরেন্টে একসাথে খেতে গেলেই আপনি দামি খাবার ছাড়া অর্ডার দেন না। খরচের মুহূর্তে নিজের পকেট থেকে মানিব্যাগটা সব সময়ই বের করেন। এ ধরনের স্বভাব বেশ অস্বস্তিকর মেয়েদের জন্য। বরং অন্য কোনো সাধারণ খাবার খেতে যান তার সাথে। আবার সে বিল দিতে চাইলে তাকে দিতে দিন। এতে মেয়েটির ভাল লাগবে। অন্যদিকে, প্রতিবার বিলের ঝক্কি প্রেমিকার ঘাড়ে চাপানোও ভালো নয়। এতে আপনার সাথে মেয়েটি কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে পাবে না।

৫. অতীত প্রেম নিয়ে টানাটানি:
বর্তমান সময়ে সবারই এক-দু’বার প্রেম হয়। এতে করে আপনারও সাবেক প্রেম থাকতে পারে এবং সে বিষয়টি আপনার নতুন প্রেমিকা জানে। তবে ভুলেও তার সাথে সাবেক প্রেমিকার সমালেচনা করবেন না। কারণ এত আপনার সম্বন্ধে তার একটা খারাপ ধারণা জন্ম নিতে পারে।

৬. শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে পীড়াপীড়ি করা:
হুটহাট শারিরীক সম্পর্কে জড়াতে চাইবেন না। এটা আপনার প্রেমিকার কাছে স্বভাবক না ও হতে পারে। মেয়েরা সম্পর্ক অনেকদূর নিয়ে যেতে চায়। সুতরাং সেই সম্পর্ক অনেকদূর যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সে নিজেই আপনাকে সাড়া দিবে। তাই তাকে সময় দিন, দেখবেন সে নিজেই সব কিছু বুঝবে।

Dreaming

স্বপ্ন যা আমরা দেখি খুব বড় হওয়ার স্বপ্ন কেউ দেখি আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন । করি শত চেষ্টা, হারি বহুবার, কাঁদি বহুবার । পরে যাই, তোলার কেউ থাকেনা পাশে, তাকিয়ে রই এক অসহায়ের চোখে। কেউ একবারও দেয় না হাত বারিয়ে। তবে কি রবে থেমে বন্ধু চলো, হাটো, দৌড়াও যতক্ষণ স্বপ্নকে পারছোনা জয় করতে। Don’t Stop Dreaming Just Run. One day You Will Won.

Dream Run

and Run

Run until win the cup

Don’t Break Down

Dreaming

পর্যটকদের বিলাসে জন্ম যাদের

তারা অন্য শিশুদের থেকে ভিন্ন৷ কেননা দারিদ্র্য এবং বাবা ছাড়াই তাদের বেড়ে উঠতে হয়৷ তারা ফিলিপাইন্সে বেড়াতে আসা ব্যক্তিদের যৌন বিলাসের ফল৷ প্রতিবেদন, জার্মান ভিত্তিক পত্রিকা ডিডাব্লিউ। যৌন ব্যবসার উপর নির্ভরশীলতা একদিকে দারিদ্র্য, অন্যদিকে সুযোগের অভাব – এই দুটো কারণে ফিলিপাইন্সের ওলোনগাপো শহরে তরুণীরা বেছে নিচ্ছেন যৌনবৃত্তিকে৷ অন্য জায়গা থেকেও এখানে মেয়েরা আসে বার এ কাজ করchirldতে৷ প্রতি বছর যৌন পর্যটনের কারণে জন্ম নিচ্ছে কয়েক হাজার শিশু৷ পিতৃহীন প্রজন্ম চার বছরের ড্যানিয়েলের বাবা অ্যামেরিকান ছিলেন বলে ধারণা করা হয়, আর তার অন্য ভাই-বোনরা ফিলিপিনো বাবার সন্তান, যিনি পরিবার ত্যাগ করে চলে গেছেন৷ ড্যানিয়েলের মা অনেক বছর ধরেই বার-এ কাজ করছেন৷ চেষ্টা করে যাচ্ছেন যাতে সন্তানদের ভবিষ্যতটা ভালো হয়৷ যৌন পর্যটকদের লালসার শিকার ছোট্ট রায়ান বাস্কেটবল নিয়ে খেলতে ভালোবাসে৷ তার বাবা জাপানি৷ তার মা এখনও একটি বার-এ যৌন পেশায় নিয়োজিত৷ রায়ানের আরো চার সহোদর রয়েছেন, যাদের বাবা ভিন্ন৷ পেশার সুযোগ সাদা চামড়ার শিশু যেমন সাবরিনা – তাদের ফিলিপাইন্সের ভাষায় বলা হয় বাঙ্গুস অর্থাৎ মিল্ক ফিশ৷ এ ধরনের শিশুরা পরবর্তীতে অভিনেত্রী বা মডেলের পেশা বেছে নেয়৷ সাবরিনার বাবা জার্মানিতে থাকেন, তবে তার সাথে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই৷ প্রজাপতি লায়লা প্রতিদিন ব্যাকপ্যাক নিয়ে ঘুরে বেড়ায়৷ আগামী বছর স্কুলে ভর্তি হওয়ার সব চেষ্টা করবে সে৷ পড়ালেখায় তার ব্যাপক আগ্রহ৷ লায়লার মা জানালেন, লায়লার বাবা অ্যামেরিকান৷ লায়লার জন্মের আগে তাকে একথা জানানো হলো৷ একথা শোনামাত্র ‘প্রজাপতির’ মতই চলে গিয়েছিলেন তিনি৷ জীবনভর বয়ে বেড়ানো আফ্রিকা বা আফ্রো অ্যামেরিকান বাবার সন্তানেরা ফিলিপাইন্সে ‘নিগ্রো’ হিসেবে সমাজে পরিচিত হয়৷একমাত্র সন্তান ছোট্ট লেস্টারের বয়স যখন এক বছর তখন তার বাবা মারা যায়৷ মায়ের সাথে তার বাবা ৭ বছর জীবন কাটিয়েছিলেন৷ কিন্তু বর্তমানে শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত৷ চিকিৎসার সব দায়িত্ব নেয়া তার মা জেসিকার পক্ষে সম্ভব নয়৷ নতুন পরিবার অ্যাঞ্জেলার ছেলে স্যামুয়েলের বাবা সুইস৷ কিন্তু তার জন্মের আগেই বাবা তাদের ফেলে চলে যায়৷ তবে এখন অ্যাঞ্জেলা ফিলিপাইন্সের এক নাগরিককে বিয়ে করেছেন৷ সে পরিবারে নতুন এক সন্তান এসেছে যার বয়স মাত্র এক সপ্তাহ৷ বিয়ের পর বার-এর চাকরিও ছেড়ে দিয়েছেন অ্যাঞ্জেলা৷

নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে দিও…( বৃদ্ধাশ্রম থেকে পাঠানো এক মায়ের চিথি )

প্রাণের খোকা, আমার আদর ও ভালোবাসা নিও। অনেক দিন তোমারে দেখি না, আমার খুব কষ্ট হয়। কান্নায় আমার বুক ভেঙে যায়। আমার জন্য তোমার কী অনুভূতি আমি জানি না। তবে ছোটবেলায় তুমি আমাকে ছাড়া কিছু বুঝতে না। আমি যদি কখনও তোমার চোখের আড়াল হতামম মা মা বলে চিৎকার করতে। মাকে ছাড়া কারও কোলে তুমি যেতে না। সাত বছর বয়সে তুমি আমগাছ থেকে পড়ে হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছিলে। তোমার বাবা হালের বলদ বিক্রি করে তোমার চিকিৎসা করিয়েছেন। তখন তিন দিন, তিন রাত না ঘুমিয়ে, না খেয়ে, গোসল না করে তোমার পাশে কাটিয়েছিলাম। সেইসব তোমার মনে থাকার কথা নয়। তুমি একমুহূর্ত আমাকে না দেখে থাকতে পারতে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার বিয়ের গয়না বিক্রি করে তোমার পড়ার খরচ জুগিয়েছি।হাঁটুর ব্যথাটা তোমার মাঝে মধ্যেই হতো। বাবা… এখনও কি তোমার সেই ব্যথাটা আছে? রাতের বেলায় তোমার মাথায় হাত না বুলিয়ে দিলে তুমি ঘুমাতে না। এখন তোমর কেমন ঘুম হয়? আমার কথা কি তোমার একবারও মনে হয় না? তুমি দুধ না খেয়ে ঘুমাতে না। খোকা, তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমার কপালে যা লেখা আছে হবে। আমার জন্য তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি খুব ভালো আছি। কেবল তোমার চাঁদ মুখখানি দেখতে আমার খুব মন চায়। বাবা, তুমি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করবে। তোমার বোন…তার খবরাখবর নিও। আমার কথা জিজ্ঞেস করলে বলো, আমি ভালো আছি। আমি দোয়া করি, তোমাকে যেন আমার মতো বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে না হয়। কোনো এক জ্যোসনা ভরা রাতে আকাশ পানে তাকিয়ে জীবনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু ভেবে নিও। বিবেকের কাছে উত্তর পেয়ে যাবে। তোমার কাছে আমার শেষ একটা ইচ্ছা আছে। আশা করি তুমি আমার শেষ ইচ্ছাটা রাখবে। আমি মারা গেলে বৃদ্ধাশ্রম থেকে নিয়ে আমাকে তোমার বাবার কবরের পাশে কবর দিও। এজন্য তোমাকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না। তোমার বাবা বিয়ের সময় যে নাকফুলটা দিয়েছিল সেটা আমার কাপড়ের আঁচলে বেঁধে রেখেছি। নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে নিও। তোমার ছোটবেলার একটি ছবি আমার কাছে রেখে দিয়েছি। ছবিটা দেখে দেখে মনে মনে ভাবি এটা কি আমার সেই খোকা, যে কিনা আমার কোল থেকে নামতেই চাইত না? ইতি তোমার বৃদ্ধা মা মদিনা খাতুন (ছদ্মনাম) (এভাবে বেদনা ভরা একটি খোলা চিঠি ছেলের উদ্দেশে লিখেছেন মদিনা খাতুন (ছদ্মনাম),মদিনা খাতুনের বয়স এখন আশি। ছয় বছর আগে তার আশ্রয় জুটেছে বৃদ্ধাশ্রমে।

Ma

How To Make you a freelncer

How to make you a freelancer

1. First you have to open a bank account

2. Than you have to open a Payza, Payoneer account, If you cretae payoneer account you can get a master card.

3.Than go to Odesk, Freelancer and Elance PeoplePerHour
and sign up to this page

4.Go to this page and upgrade your profile 100% and upgrade your skills like Data entry,SEO,Link Building project, Web Designing,HTML etc

5.You have to find jobs to serach from the top bar [ mind that you have to change freelancer to Job from side bar]

6.You have to bid on this project more and more

7.When you get jobs it will depend on your bid and luck

Mind That,”you can made your career good by doing a hard work

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.